Halloween party ideas 2015

থাকব না কো বদ্ধ ঘরে, দেখব এবার জগৎটাকে,- 
কেমন করে ঘুরছে মানুষ যুগান্তরের ঘুর্ণিপাকে। 
দেশ হতে দেশ দেশান্তরে 
ছুটছে তারা কেমন করে, 
কিসের নেশায় কেমন করে মরছে যে বীর লাখে লাখে, 
কিসের আশায় করছে তারা বরণ মরণ-যন্ত্রণারে।। 

কেমন করে বীর ডুবুরী সিন্ধু সেঁচে মুক্তা আনে, 
কেমন করে দুঃসাহসী চলছে উড়ে স্বরগ পানে। 
জাপটে ধরে ঢেউয়ের ঝুঁটি 
যুদ্ধ-জাহাজ চলছে ছুটি, 
কেমন করে আঞ্ছে মানিক বোঝাই করে সিন্ধু-যানে, 
কেমন জোরে টানলেসাগর উথলে ওঠে জোয়ার বানে। 

কেমন করে মথলে পাথার লক্ষী ওঠেন পাতাল ফুঁড়ে, 
কিসের অভিযানে মানুষ চলছে হিমালয় চুড়ে। 
তুহিন মেরু পার হয়ে যায় 
সন্ধানীরা কিসের আশায়; 
হাউই চড়ে চায় যেতে কে চন্দ্রলোকের অচিন পুরেঃ 
শুনবো আমি, ইঙ্গিত কোন 'মঙ্গল' হতে আসছে উড়ে।। 

কোন বেদনার টিকিট কেটে চন্ডু-খোর এ চীনের জাতি 
এমন করে উদয়-বেলায় মরণ-খেলায় ওঠল মাতি। 
আয়ার্ল্যান্ড আজ কেমন করে 
স্বাধীন হতে চলছে ওরেঃ 
তুরষ্ক ভাই কেমন করে কাঁটল শিকল রাতারাতি! 
কেমন করে মাঝ গগনে নিবল গ্রীসের সূর্য-বাতি।। 

রইব না কো বদ্ধ খাঁচায়, দেখব এ-সব ভুবন ঘুরে- 
আকাশ বাতাস চন্দ্র-তারায় সাগর-জলে পাহাড়-চুঁড়ে। 
আমার সীমার বাঁধন টুটে 
দশ দিকেতে পড়ব লুটেঃ 
পাতাল ফেড়ে নামব নীচে, ওঠব আবার আকাশ ফুঁড়েঃ 
বিশ্ব-জগৎ দেখব আমি আপন হাতের মুঠোয় পুরে।।

বল বীর –
বল উন্নত মম শির!
শির নেহারি আমারি, নত-শির ওই শিখর হিমাদ্রীর!
বল বীর –
বল মহাবিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি’
চন্দ্র সূর্য্য গ্রহ তারা ছাড়ি’
ভূলোক দ্যুলোক গোলক ভেদিয়া,
খোদার আসন “আরশ” ছেদিয়া
উঠিয়াছি চির-বিস্ময় আমি বিশ্ব-বিধাত্রীর!
মম ললাটে রুদ্র-ভগবান জ্বলে রাজ-রাজটীকা দীপ্ত জয়শ্রীর!
বল বীর –
আমি চির-উন্নত শির!
আমি চিরদুর্দ্দম, দুর্বিনীত, নৃশংস,
মহা- প্রলয়ের আমি নটরাজ, আমি সাইক্লোন, আমি ধ্বংস,
আমি মহাভয়, আমি অভিশাপ পৃথ্বীর!
আমি দুর্ব্বার,
আমি ভেঙে করি সব চুরমার!
আমি অনিয়ম উচ্ছৃঙ্খল,
আমি দ’লে যাই যত বন্ধন, যত নিয়ম কানুন শৃংখল!
আমি মানি নাকো কোনো আইন,
আমি ভরা-তরী করি ভরা-ডুবি, আমি টর্পেডো, আমি ভীম,
ভাসমান মাইন!
আমি ধূর্জ্জটী, আমি এলোকেশে ঝড় অকাল-বৈশাখীর!
আমি বিদ্রোহী আমি বিদ্রোহী-সূত বিশ্ব-বিধাত্রীর!
বল বীর –
চির উন্নত মম শির!
আমি ঝঞ্ঝা, আমি ঘূর্ণী,
আমি পথ-সম্মুখে যাহা পাই যাই চূর্ণী!
আমি নৃত্য-পাগল ছন্দ,
আমি আপনার তালে নেচে যাই, আমি মুক্ত জীবনানন্দ।
আমি হাম্বীর, আমি ছায়ানট, আমি হিন্দোল,
আমি চল-চঞ্চল, ঠুমকি’ ছমকি’
পথে যেতে যেতে চকিতে চমকি’
ফিং দিয়া দিই তিন দোল্!
আমি চপলা-চপল হিন্দোল!
আমি তাই করি ভাই যখন চাহে এ মন যা’,
করি শত্রুর সাথে গলাগলি, ধরি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা,
আমি উদ্দাম, আমি ঝঞ্ঝা!
আমি মহামারী, আমি ভীতি এ ধরিত্রীর।
আমি শাসন-ত্রাসন, সংহার আমি উষ্ণ চির-অধীর।
বল বীর –
আমি চির-উন্নত শির!
আমি চির-দুরন্ত-দুর্ম্মদ,
আমি দুর্দ্দম, মম প্রাণের পেয়ালা হর্দ্দম্ হ্যায়্ হর্দ্দম্
ভরপুর মদ।
আমি হোম-শিখা, আমি সাগ্নিক, জমদগ্নি,
আমি যজ্ঞ, আমি পুরোহিত, আমি অগ্নি!
আমি সৃষ্টি, আমি ধ্বংস, আমি লোকালয়, আমি শ্মশান,
আমি অবসান, নিশাবসান।
আমি ইন্দ্রাণি-সূত হাতে চাঁদ ভালে সূর্য্য,
মম এক হাতে-বাঁকা বাঁশের বাঁশরী, আর হাতে রণ-তূর্য্য।
আমি কৃষ্ণ-কন্ঠ, মন্থন-বিষ পিয়া ব্যথা বারিধির।
আমি ব্যোমকেশ, ধরি বন্ধন-হারা ধারা গঙ্গোত্রীর।
বল বীর –
চির উন্নত মম শির।
আমি সন্ন্যাসী, সুর-সৈনিক
আমি যুবরাজ, মম রাজবেশ ম্লান গৈরিক!
আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস,
আমি আপনা ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ!
আমি বজ্র, আমি ঈশান-বিষাণে ওঙ্কার,
আমি ইস্ত্রাফিলের শিঙ্গার মহা-হুঙ্কার,
আমি পিনাক-পাণির ডমরু-ত্রিশূল, ধর্ম্মরাজের দন্ড,
আমি চক্র ও মহাশঙ্খ, আমি প্রণব-নাদ-প্রচন্ড!
আমি ক্ষ্যাপা দুর্বাসা-বিশ্বামিত্র-শিষ্য,
আমি দাবানল-দাহ, দাহন করিব বিশ্ব!
আমি প্রাণ-খোলা-হাসি উল্লাস, – আমি সৃষ্টি-বৈরী মহাত্রাস,
আমি মহা-প্রলয়ের দ্বাদশ রবির রাহু-গ্রাস!
আমি কভু প্রশান্ত, – কভু অশান্ত দারুণ স্বেচ্ছাচারী,
আমি অরুণ খুনের তরুণ, আমি বিধির দর্প-হারী!
আমি প্রভঞ্জনের উচ্ছাস, আমি বারিধির মহাকল্লোল,
আমি উজ্জ্বল আমি প্রোজ্জ্বল,
আমি উচ্ছল জল-ছল-ছল, চল-ঊর্মির হিন্দোল্ দোল!
আমি বন্ধন-হারা কুমারীর বেণী, তন্বী-নয়নে বহ্নি,
আমি ষোড়শীর হৃদি-সরসিজ প্রেম-উদ্দাম, আমি ধন্যি।
আমি উন্মন মন উদাসীর,
আমি বিধাতার বুকে ক্রন্দন-শ্বাস, হা-হুতাশ আমি হুতাশীর!
আমি বঞ্চিত ব্যথা পথবাসী চির-গৃহহারা যত পথিকের,
আমি অবমানিতের মরম-বেদনা, বিষ-জ্বালা, প্রিয়-লাঞ্ছিত
বুকে গতি ফের!
আমি অভিমানী চির-ক্ষুব্ধ হিয়ার কাতরতা, ব্যথা সুনিবিড়,
চিত- চুম্বন-চোর-কম্পন আমি থর-থর-থর প্রথম পরশ কুমারীর!
আমি গোপন প্রিয়ার চকিত চাহনি, ছল ক’রে দেখা অনুখন,
আমি চপল মেয়ের ভালোবাসা, তা’র কাঁকন-চুড়ির কন্-কন্।
আমি চির-শিশু, চির-কিশোর,
আমি যৌবন-ভীতু পল্লীবালার আঁচর কাঁচলি নিচোর!
আমি উত্তর-বায়ু, মলয়-অনিল, উদাসী পূরবী হাওয়া,
আমি পথিক-কবির গভীর রাগিণী, বেণু-বীনে গান গাওয়া!
আমি আকুল নিদাঘ-তিয়াসা, আমি রৌদ্র রবি,
আমি মরু-নির্ঝর ঝর-ঝর, আমি শ্যামলিমা ছায়া-ছবি! –
আমি তুরিয়ানন্দে ছুটে চলি এ কি উন্মাদ, আমি উন্মাদ!
আমি সহসা আমারে চিনেছি, আমার খুলিয়া গিয়াছে
সব বাঁধ!
আমি উত্থান, আমি পতন, আমি অচেতন-চিতে চেতন,
আমি বিশ্ব-তোরণে বৈজয়ন্তী, মানব বিজয় কেতন!
ছুটি ঝড়ের মতন করতালি দিয়া
স্বর্গ-মর্ত্ত্য করতলে,
তাজি বোরবাক্ আর উচ্চৈস্রবা বাহন আমার
হিম্মত-হ্রেস্বা হেঁকে চলে!
আমি বসুধা-বক্ষে আগ্নেয়াদ্রি, বাড়ব-বহ্নি, কালানল,
আমি পাতালে মাতাল অগ্নি-পাথর-কলরোল-কল-কোলাহল!
আমি তড়িতে চড়িয়া উড়ে চলি জোর তুড়ি দিয়া, দিয়া লম্ফ,
আণি ত্রাস সঞ্চারি ভুবনে সহসা, সঞ্চরি’ ভূমি-কম্প!
ধরি বাসুকির ফনা জাপটি’, –
ধরি স্বর্গীয় দূত জিব্রাইলের আগুনের পাখা সাপটি’!
আমি দেব-শিশু, আমি চঞ্চল,
আমি ধৃষ্ট আমি দাঁত দিয়া ছিঁড়ি বিশ্ব-মায়ের অঞ্চল!
আমি অর্ফিয়াসের বাঁশরী,
মহা- সিন্ধু উতলা ঘুম্-ঘুম্
ঘুম্ চুমু দিয়ে করি নিখিল বিশ্বে নিঝ্ঝুম্
মম বাঁশরী তানে পাশরি’
আমি শ্যামের হাতের বাঁশরী।
আমি রুষে উঠে’ যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া,
ভয়ে সপ্ত নরক হারিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া!
আমি বিদ্রোহ-বাহী নিখিল অখিল ব্যাপিয়া!
আমি প্লাবন-বন্যা,
কভু ধরণীরে করি বরণিয়া, কভু বিপুল ধ্বংস-ধন্যা –
আমি ছিনিয়া আনিব বিষ্ণু-বক্ষ হইতে যুগল কন্যা!
আমি অন্যায়, আমি উল্কা, আমি শনি,
আমি ধূমকেতু-জ্বালা, বিষধর কাল-ফণি!
আমি ছিন্নমস্তা চন্ডী, আমি রণদা সর্বনাশী,
আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি!
আমি মৃণ্ময়, আমি চিন্ময়,
আমি অজর অমর অক্ষয়, আমি অব্যয়!
আমি মানব দানব দেবতার ভয়,
বিশ্বের আমি চির দুর্জ্জয়,
জগদীশ্বর-ঈশ্বর আমি পুরুষোত্তম সত্য,
আমি তাথিয়া তাথিয়া মথিয়া ফিরি এ স্বর্গ-পাতাল-মর্ত্ত্য
আমি উন্মাদ, আমি উন্মাদ!!
আমি চিনেছি আমারে, আজিকে আমার খুলিয়া গিয়াছে
সব বাঁধ!!
আমি পরশুরামের কঠোর কুঠার,
নিঃক্ষত্রিয় করিব বিশ্ব, আনিব শান্তি শান্ত উদার!
আমি হল বলরাম স্কন্ধে,
আমি উপাড়ি’ ফেলিব অধীন বিশ্ব অবহেলে নব সৃষ্টির মহানন্দে।
মহা- বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত
আমি সেই দিন হব শান্ত,
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল, আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না,
অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না –
বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত
আমি আমি সেই দিন হব শান্ত!
আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন,
আমি স্রষ্টা-সূদন, শোক-তাপ-হানা খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব-ভিন্ন!
আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দেবো পদ-চিহ্ন!
আমি খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন!
আমি চির-বিদ্রোহী বীর –
আমি বিশ্ব ছাড়ায়ে উঠিয়াছি একা চির-উন্নত শির!


যদি এক আল্লাহর বান্দা সবাই হয়ে থাকো হে মুমিন
যদি ষোল কোটি মুসলমানের হয়ে থাকে এ জমিন

তবে কেন সংঘাত,কিসের বিবাত কিসের ভিন্নমত?
ভুলে গেছ কি তোমরা সকলেই এক
রাসূলের উম্মত?

এক শরীয়ত,এক কোরআন, এক ঈমান সবার।
কণ্ঠে কণ্ঠে এক শ্লোগান আল্লাহু আকবর।
এক তাওহীদ, এক ইসলাম, একটাই কাবা ঘর।
এক তবু কেন হয় না এখনো
তোমাদের অন্তর?

নিজেদের মাঝে থেকে যায়
যদি ভিন্ন ভিন্ন পথ
হবে না, হবে না,হবে না
কায়েম ইসলামী হুকুমত।

যদি নিজেদের মাঝে ভ্রাতৃত্বের গড়ে উঠে পরিবেশ
তবে লাগবেনা এত মিছিল,মিটিং বক্তৃতা সমাবেশ।
আর লাগবে না এত আহত নিহত, বিদ্রোহ,বিক্ষোভ
যদি ক্ষমতায় গিয়ে মন্ত্রীত্বের সামলাতে পারো লোভ।

একই চেতনা,একই সাধনা একই আন্দোলন
মূ্র্খের মত যায় তবু নেতাদের আচরণ!

একই মঞ্চে পাশাপাশি তবু ভিন্ন ভিন্ন সাধ
যদিও সবার একই
বদনাম-সবাই মৌলবাদ!
নীতি হীন আন্দোলনে কখনো মিলবে না জনমত।

হবেনা,হবে না,হবে না কায়েম ইসলামী হুকুমত।

যদি একঠিকানার যাত্রী সবাই হয়ে থাকো হে পথিক
তব মিছেমিছা কেন ছুটোছুটি করে হরিয়ে দিকবিদিক!

যদি ধর্মিও রজনীতিতে সবাই হয়ে
থাকো এক জোট,

তবে ভিন্ন প্রতীকে কেন ভাগ কর নীর্বাচনের ভোট?
কেন মজলিস,শাসনতন্ত্র,জামাতে ইসলাম?
হতে কি পরেনা এক দাবি নিয়ে সকলেরই এক নাম?

কিসের মোর্চা,কিসের নেজাম, কিসের ঐক্যজোট?
কিছুতেই কিছু হবে না বন্ধু সব ঝুট্- সব ঝুট

এভাবেই দিন কেটে যাবে শুধু এসে যাবে কিয়ামত।
হবে না, হবে না, হবে না কায়েম ইসলামী হুকুমত।

যদি মুসলিম হয়ে ইসলাম লয়ে ঝগড়া ফ্যাসাদ করো
তবে এক কাবা নিয়ে করোনা বড়াই, আরেকটা কাবা গড়।

যদি ক্ষমতার টানে সম্মুখপানে কদম না দিতে পার
তবে স্বার্থান্বেষী হয়ে গেছ তুমি আজই ইসলাম ছাড়।

অযথাই শুধু ভেঙ্গনা স্বপন
লাখো তৌহিদী জনতা তোমায় দেয়নি সে
অধিকার।

মঞ্চ মাতানো তপ্ত ভাষণ পল্টন কাঁপে ঐ
পরিণামে হৈ- হৈ- রৈ- রৈ- নেতাগণ গেল কই?

ধোঁকাবাজদের দেবে না রেহাই জনতার আদালত।
হবে না, হবে না, হবে না কায়েম ইসেলামী হুকুমত।

শুধু দাড়ি টুপিওয়ালা নেতা-কর্মীতে হবে না আন্দোলন,
দেশে বাস্তবে কিছু করতেই হলে চাই গনজাগরণ।

এই ভ্রান্ত সমাজ সামলাতে আগে হতে হবে সামাজিক,
তাই মাটি মানুষ আর মানচিত্রকে বুঝে নিতে হবে ঠিক।

ডাক দিয়ে যাই-সবাইকে তাই,ছাড়ো ভয় সংশয়
সমুখে যাবার সময় এবার,পিছু তাকাবার নয়।

ছড়ো ভন্ডামী,নোংরামী যত,গোড়াঁমী হার কিসিম
ময়দান ছেড়ে ভেগোনা কো যদি হয়ে থাকো মুসলিম।

হাতে হাত ধরে যদি নাও সবে বিপ্লবের শপথ
তবে কেন বল হবে না কায়েম ইসলামী হুকুমত।
এদেশে আবার হবেই কায়েম ইসলামী হুকুমত এ
মাটিতে হতে হবেই কায়েম ইসলামী হুকুমত।
হবে হবে হবে কায়েম ইসলামী হুকুমত

আজ পৃথিবীর দিকে দিকে শুনে জিহাদের ডাক
কেউ জাগে নওজোশ লয়ে,কেউ ভয়ে নির্বাক।


কেউ বলে তাকে মুক্তির পথ,কেউ বলে সন্ত্রাস।
কেউ ভাবে তাকে কল্যাণকর, কেউ বা সর্বনাশ !

পৃথিবীর সব রাষ্ট্রের সব সরকার পেরেশান,
প্রচার মিডিয়া কিছু না বুঝিয়া হয়রান হয়রান।

জিহাদের হয় অপব্যবহার জানি না সে দোষ কার?
আসলে জিহাদ কোরআনে লিখা ফরমান আল্লাহর
জিহাদ শক্তি, জিহাদ মুক্তি, জিহাদ মিথ্যে নয়,
শোষিত পীড়িত মাজলুমানের জিহাদেই আশ্রয়...।
জিহাদ মানে সংগ্রাম, সন্ত্রাস কভু নয়।


জিহাদ হলো ইবাদাত,সংঘাত শুধু নয়। 
জিহাদ মানে জিহাদ,তাকে সন্ত্রাস বলো না।
সন্ত্রাস সেতো সন্ত্রাস, তাকে জিহাদ বলো না।


বদর,ওহুদ,খন্দক হলো সুন্নত নবীজীর
হামজা,উমর,আলী হায়দার জিহাদের মহাবীর।

জিহাদের ডাকে ধুলায় লুটালো কত উদ্ধত শির
কত মাজলুম শোধ নিল তার তামাম জিন্দেগীর।

ইসলামে তাই জিহাদের সর্বোচ্চ অবস্থান
কভু কিছুতেই জিহাদ ছাড়তে পারে না মুসলমান।

জিহাদ যুদ্ধ,জিহাদ সাধনা,জিহাদ আন্দোলন
চলছে জিহাদ,চলবে জিহাদ যেখানেই প্রয়োজন
কেয়ামত পর্যন্ত জিহাদ রয়ে যাবে অক্ষয়
সন্ত্রাস আর জিহাদের মাঝে ছড়িওনা সংশয়...।


জঙ্গ যদি হয় যুদ্ধ, তবে যোদ্ধারা হলো জঙ্গী
অভিধান করো শুদ্ধ আর ফেরাও দৃষ্টিভঙ্গি,

সন্ত্রাসীদের যোদ্ধা বলে বাড়িও না তার মূল্য
সন্ত্রাসী হতে পারেনা তো কোন যোদ্ধার সমতুল্য !

ইন্টারন্যাশনাল টেরোরিজমের মিথ্যে দোহাই দিয়ে
ওরা যুদ্ধ যুদ্ধ স্বার্থের খেলা খেলছে পৃথিবী নিয়ে,
মিডিয়ায় করে মুসলমানের জিহাদের বদনাম
গোপনে গোপনে ঠিক ঠিক ওরা করছে ওদের কাম ।

এ ষড়যন্ত্র হয়ো না ভ্রান্ত, এ তাদের অভিনয়
ওরা সন্ত্রাসী তাইতো ওদের জিহাদের এতো ভয়...।

মিছে অজুহাতে ইরাক ধ্বংস করেছে যে আমেরিকা
অগণন বুকে তারাও জ্বেলেছে ক্রোধের অগ্নিশিখা !

এক লাদেনের উসিলায় যারা কেড়ে নিলো আফগান,
তারাই বিশ্ব সন্ত্রাসী, মোস্ট ওয়ান্টেড শয়তান

ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড ইজরাইল করেছে গ্রাস
স্বাধীনতাকামী কাশ্মীরে চলে দিল্লীর সন্ত্রাস
বাঁচার জন্য যারাই করছে মুক্তির সংগ্রাম
সন্ত্রাসীরাই দিচ্ছে তাদের সন্ত্রাসী বদনাম !

ইতিহাস বলে আঘাতেই প্রতিঘাতের জন্ম হয়
কেন এক হবে সন্ত্রাস আর জিহাদের পরিচয়.....?

জিহাদ মানে সংগ্রাম, সন্ত্রাস কভু নয় !!
Powered by Blogger.