Halloween party ideas 2015
Showing posts with label সম্পাদকীয়. Show all posts

2
মানুষ কেন বাঁচে?
মানুষ কি বাচার জন্যই বাঁচে?

নাকি বেচে থাকতে হয় বলে বাঁচে?
নাকি মৃত্যূর অপেক্ষায় বাঁচে? সে
নিজের জন্য বাঁচে,

নাকি অন্য কারো জন্য বাঁচে?
হয়তোবা জীবনের সাথে যুদ্ধ করার জন্য বাঁচে,

কেউ হয়তো এ যুদ্ধে
নিশ্চিত পরাজয় জেনেও বাঁচে, কেউ
সাধারন নিয়মেই বাঁচে, তবে আমার
মনে হয় বেশির ভাগ মানুষ কেন বেঁচে
আছি এর মানে না জেনেই বাঁচে,

তারপরেও মানুষ বাঁচে,জীবনকে আকড়ে
ধরে বাঁচে,মৃত্যূকে ভুলে গিয়ে বাঁচে,
কেউ কেউ হয়তো মৃত্যূকে সঙ্গী করে
বাঁচে,আবার কেউ মৃত্যূর সাথে পাঞ্জা লড়ে বাঁচে,

কেউ কেউ হয়তো নিছক
জগতের মায়ায় পড়েই বাঁচে, কেউ আবার
জগৎ সংসার ভুলে গিয়ে বাঁচে, হয়তো
কেউ নিজেকে নিয়ে বাঁচে, তবুও মানুষ বাঁচে,

জীবন আর মৃত্যূর মাঝখানে
পড়ে বাঁচে, আবার কেউ প্রিয় মানুষটির
হাত ধরে বাঁচতে চায় আজন্মকাল.......!!

কিন্তু যখন বেঁচে থাকার ইচ্ছেগুলো
নিসঃঙ্গ অন্ধকারে ভাসমান,
স্বপ্নগুলো জীবন্ত লাশ হয়ে ফেরে,,!
ঠিক তখনই প্রবল সন্দেহ জাগে আমি,,,,,,,,!
আমি মানুষ তো..........!

==:: sopnil shila






জীবনের কিছু কিছু সময় আছে যখন নিজেকে একা লাগে,খুব বেশি একা লাগে......
চারপাশে শুন্যতায় ভরে যায়,জানি যখন কেউই থাকেনা খুব হতাশা জড়িয়ে ধরে কুয়াশার চাদরের মত,
কান্না বিজড়িত কন্ঠে চিৎকার করতে ইচ্ছে করে।
কেউই যখন পাশে থাকে না পৃথিবী সব বাস্তবটা যখন নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যায়,
 ঠিক তখন একজন ভরসা হয়ে থাকে আর তিনি হলেন স্রষ্ঠা,
মানুষ হাত ছেড়ে দেয়,স্বার্থের কাছে পরাজিত হয় সম্পর্ক গুলো,
আপন জন ও মাঝে মাঝে রং পালটে পেলে যা চেনাটা খুব কস্টকর হয়,
 

 







.





....কিন্তু স্রষ্ঠা কখনো ভুলে না তার সৃষ্টিকে,
সব সময় আকড়ে ধরে থাকে তার সৃষ্টিকে তবে আমরা ভুল করে মাঝে মাঝে ভুলেই যাই স্রষ্ঠাকে,
তিনি মহান তাই ছুড়ে ফেলে দেন না আর তাই হয়তো কিছু সম্পর্ক আমাদের জন্য জিবিত রাখেন যাতে করে রাতের অন্ধকারের মত সব অন্ধকারকে দূর করে সম্পর্ক গুলো আলোতে টেনে আনতে পারে,
মা, বাবা, ভাই, বোন, স্ত্রী,সন্তান,বন্ধুত্বের সম্পর্ক গুলো প্রতিটা আলাদা প্রভাব রেখে যায় আমাদের জীবনে,হয়তো আমরাই ভুলে যাই সাময়িক ভাবে কিন্তু অস্বীকার করতে পারি না,
এই যেনো স্রষ্ঠার এক করুন কৃপা,তার করুনায় বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করে হাজারো কস্টের মাঝে,
তার করুনার বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করে শত যন্ত্রনার মাঝে,
তার করুনায় বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করে সব কিছু হারিয়েও,
তার করুনায় আরো একটা জনম ভিক্ষা চাইতে ইচ্ছে করে,
ল্যাম্পপোস্ট এর নিচে দাঁড়িয়ে যে আলোটা আমায় পৃথিবী দেখায় সেই আলোয় হয়তো সারা পৃথিবীটা আমার দেখা হয় না,
মোমবাতির আলোয় যে ঘর আলোকিত হয় সেই আলোয় হয়তো পুরো বাড়িটা আলোকিত হয় না,

অন্ধকারের মাঝেও একটা নিজস্ব আলো আছে তার দেখার জন্য কোনো ল্যাম্পপোস্ট এর নিচে দাড়াতে হয় না,
কোনো মোমবাতির নিচে গিয়ে খুজতে হয় না...... 
সেই আলোটা খুজতে হলে একমাত্র অন্ধকারের দাড়াতে হয়,
তখনি সেই অন্ধকারের সত্যিকারের আলোটাকে খুজে পাওয়া সম্ভব......!!!
কান্নার জলে রং হয়না তবুও হাজার হাজার রঙ্গিন স্বপ্ন এই কান্নার জলের সাথে মিশে উধাও হয়ে যায়,বুঝানো যায় না,
কেউ বুঝবেও না কোনো দিন...
শুধু হাতের তালু দিয়ে মুচে ফেলা হয় স্বপ্ন ভাঙ্গার জল,কত অদ্ভুত জীবন,
চাওয়া আর পাওয়া এই সমীকরনের একটু বেমিল হলেই,
 চুর্নবিচুর্ন মনে হয় সব কিছু কিন্তু একটি বার ভাবা হয় না আর কতটা দিন বা বেঁচে আছি এই পৃথিবীতে..??
সব চলে যাবে, সব হারিয়ে যাবে,সম্পর্ক গুলো ও নিশ্বেষ হয়ে যাবে,

...... শুধু অবশিষ্ট থাকবে স্রষ্ঠা, বিলিন হয়ে যাবো আমি নামের সৃষ্টিটা..!!

অনেকে বলে কখনো কখনো মন খারাপের কোনো কারন থাকে না,সত্যি কি তাই..??
আমি বিশ্বাস করি না, কারন কথায় আছে" নো স্মোক ইউথ আউট ফায়ার"......
কারনতো অবশ্যই আছে আর প্রথম কারনটাই হলো এর নামটাই যে "মন"
পৃথিবীর সৃষ্টিটা হয়েছে মনের কারনে,স্রষ্ঠা মনে করেছেন পৃথিবী বানাবেন..... বানিয়েছেন,
স্রষ্ঠা  চেয়েছে মানুষ পাঠাবেন......পাঠিয়েছেন,
আবার স্রষ্ঠার ইচ্ছা হলো মানুষের মাঝে মন এর অস্তিত্ব দেবেন এবং তাই দিয়েছেন,
তাই এই মনের সুত্র আজ পর্যন্ত কেউই আবিষ্কৃত করতেন পারেন নি, আসলে এই মন কি চায়....??
কখনো কখনো মন খারাপ হয়,খুব বাজে রকম ভাবে মন খারাপ হয়.....
মন খারাপের এক পর্যায়ে প্রশ্ন জাগে আসলে মনটা খারাপ কেনো..??
নিজের প্রশ্নে নিজেই উওরহীন থাকতে হয়,আবার কখনো অন্যের মন খারাপের কারনে ও মন খারাপ হয়,আবার কখনো অন্যের কস্টের কারনে মন খারাপ হয়..... কখনো অন্যের হাঁসি দেখেও মন খারাপ হয়ে যায়.........
সমীকরনটা শুধু  অবিশ্বাস্য তবে অবান্তর নয়..!!!
কারো আধার কালো অন্ধকারে মন খারাপ হয় আবার কারো নির্লিপ্ত জোৎস্নাতেও মন খারাপ হয়,কখনো প্রিয় কারো দুরত্বে মন খারাপ হয় আবার কখনো খুব বেশি কাছে থাকার দরুনও মন খারাপ হয়,
খুব হাঁসতে পারা মানুষ গুলোর মন বেশি খারাপ হয়,বোঝা যায় দেখলেই বোঝা যায়। 
আবার কখনো বুঝাই যায় না হাঁসি মাখা মুখের আড়ালে কস্ট জর্জরিত মনটা রক্তাক্ত হচ্ছে,
.......লুকোচুড়ি অন্ধকারে করা যায় কিন্তু সুর্যের আভায় নিজের চেহারাটা ঢেকে রেখে মন খারাপের বহ্নিরেখাটা আড়াল করা খুব কস্টকর হয়.......তবুও মন খারাপের কারনটা না খুজে মনটা খারাপ করেই ঝাপ্সা আলোয় দাঁড়িয়ে ভিজে যায় চোখের পাতা,অজানা কারন হয়তো না জানার কারনের বহিঃপ্রকাশ চোখের জলে মন খারাপের কারনটা না খুজে চোখ মুচে ভুলে যাওয়ার অদ্ভুত সজ্ঞায়ন...!!!
তবুও খুজবো না মন খারাপের কারনটা, দরকার কি..???
দখলদারিত্ব ভালো লাগে না,তার উপর দখলদারিত্ব করতেও ইচ্ছে হয় না,
নাই বা শুনলাম শাষন বারন,নাই বা শুনলাম মিথ্যে অজুহাত.....
ছেড়ে দিলাম নাটাই হাতে সুতোর গায়ে উড়ে বেড়াস সাদা মেঘের সাথে.....ফিরে না আসুক মন খারাপের কারন,যদি আবার ফিরে আসিস তবে তোর অস্তিত্বে বসত ঘর খুজে নেবো তবুও থাকবে না কোনো অভিযোগ,
থাকবে না কোনো মিথ্যা আশ্বাস...!!




 
এক পৃষ্ঠা, দুই পৃষ্ঠা........ না হয় পুরো ডায়রির পাতা জুড়ে চলতে থাকা অসমাপ্ত গল্পকাথাটা কি কখনো শেষ হয়...??
কখনই সম্ভব না, লিখে লিখে একটা জীবনের পুরো গল্পটা একটা ডায়রীর মাঝেই সীমাবদ্ধ রাখা.......তাই হয়তো ডায়রীর কভার পৃষ্ঠে ধুলো জমে সাক্ষি হয়ে থেকে যায় প্রতিটা জীবনের অপ্রকাশ্য কথোপকথন....!!

- কি করো..??
- এইতো বসে থাকা,আর কি বা করবো...!!
- তোমার কি আজো অভ্যাস পাল্টায়নি..??
- যে দিন আমি পালটে যাবো সেদিন আমার অভ্যাস গুলো গিরগিটির মত নিজেকে পালটে নেবে
- সোজা কথা কি বলা যায় না..??
- কথা গুলো সোজাই বলি,হয়তো শুনতে পারা মানুষ গুলোই সোজা করে বুঝতে চায় না
- কেমন আছো...??
- আচ্ছা তুমি কখনো সাপুড়ের বাক্স থেকে তার সাপটা পালিয়ে যেতে দেখেছো কিংবা আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকার      মানুষটার খুব প্রিয় তারাটা খসে যেতে দেখেছো..??
- না দেখিনি,কেনো..??
- এমন সময় ওই মানুষ গুলোর হাল কেমন থাকে বলতে পারো..??
- তুমি না,কখনো বদলাবে না
- বদলালে হয়তো আজ তুমি আমার সাথে কথা বলার আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে
- তোমার কি সেই কলেজ লাইফের দিন গুলোর কথা মনে পড়ে,
- কি হবে মনে করে..??
- ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ক্যান্টিনের কোনে বসে গল্প করা, লাইব্রেরির লাস্ট বেঞ্চে তুমি আর আমি...!!
- প্লিজ ভাবতে চাই না আর
- একটা বার কি তোমার হাতটা ধরার অধিকার দেবে..??
- না,হাত গুলো আজ নিকোটিনের দখলে চলে গেছে,রক্ত কনিকায় নিকোটিন বসবাস করে আর তার দুর্গন্ধটা ছাড়িয়ে গেছে আমার চারপাশে
- আমাকে কি ক্ষমা করা যায় না,শুধু একটি বার.... প্লিজ
- সময়ের নৌকা বহু আগেই ডুবে গেছে,আমি কেবল নৌকা বিহিন মাঝি,তরীর পাড়ে বসে আছি নিরুদ্ধেশ ঠিকানায়..!!
- তবুও আমি ফিরে আসতে চাই,
- এসো না, ভালো আছি কিনা জানিনা, তবে বেঁচে থাকি,নিশ্বাস ছাড়া........ভেবো না তুমিহীন বেঁচে থাকতে পারবো না,তবে বেঁচে আছি..!!
- নিকোটিন কি ছাড়া যায় না..??
- সবাই স্বার্থপর হয়ে যায় কিন্তু ধোয়াটা স্বার্থপর না,আমার একার সময়টা চারপাশে আমাকে সঙ্গ দেয়,তাই তার একাকিত্বের সাক্ষী হয়ে থেকে যায় নিকোটিন
- যদি আমি অনুরোধ করি তারপরেও..??
- দুক্ষিত......অনুরোধ রাখার পালা এখন আর নেই,আমি কেবল এখন এক বন্ধ ডায়রীর পৃষ্ঠা হয়েই থেকে গেলাম,যেথায় ধুলো বালু যুক্ত হয়,নতুন কোন গল্প নয়..!!
- তাহলে আমি...??
- তুমি ও হয়তো সেই ডায়রীর গায়ে লিখা কোনো কবিতা হয়েই থেকে যাবে...!!!
.............আরো একটা অমিমাংশিত গল্প ডায়রির বুকে জমা হলো,হয়তো সেই ডায়রীটা কেউ পড়তে চাইবে না,তার গায়ে কেউ স্পর্শ করবে না,হয়তো কোনো এক বক্সের অন্ধকার কোনে পড়ে থেকেই নিরব হয়ে থেকে যাবে এমন হাজারো গল্প কাথা...!!
Powered by Blogger.